শিরোনাম

“মাশরাফি ফাউন্ডেশন এ্যাম্বুলেন্স চালকের অপারোগতা”সরকারী এ্যাম্বুলেন্স চালক শুন্যতা,লোহাগড়ায় ডেঙ্গু রোগী নিয়ে বিপাকে অভিভাবক

“মাশরাফি ফাউন্ডেশন এ্যাম্বুলেন্স চালকের অপারোগতা”সরকারী এ্যাম্বুলেন্স চালক শুন্যতা,লোহাগড়ায় ডেঙ্গু রোগী নিয়ে বিপাকে অভিভাবক

নিউজ ডেস্ক॥ আদমজি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র নাজমুস সাকিব সাদ। ঈদ করতে বাবা-মায়ের সঙ্গে এসেছে নড়াইলের লোহাগড়ায়। বাড়িতে এসে জ্বরে আক্রান্ত সাকিব। ঈদের আনন্দ,বন্ধুদের সাথে আড্ডা, বেড়ানো সবই কেড়ে নিয়েছে জ্বরে।
প্যাথলোজিক্যাল পরিক্ষার জন্য তার পিতা সাদিকুর রহমান বুধবার (১৪আগষ্ট) সকালে সাকিবকে নিয়ে যায় লোহাগড়ার ডক্টর’স স্পেশালাইজ্ড হসপিটালে। সেখানে পরিক্ষা করে তার শরিরে ডেঙ্গুজ্বর সনাক্ত করেন চিকিৎসক। কর্তব্যরত চিকিৎসক সাকিবের উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়ায় অভিভাবক ছুটে যান লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে∙ে। সেখানে পরামর্শ দেওয়া হয় নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করার। রোগী আনোয়নে লোহাগড়া হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতালে থাকলেও চালক প্রেষনে রয়েছেন নড়াইল সদর হাসপাতালে এমনটি জানিয়ে দেয় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক। মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হয় মাশরাফি ফাউন্ডেশনের এ্যাম্বুলেন্স চালক আকবর শেখ’র সাথে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন তার শরীর ভাল না,যেতে পারবেন না। নড়াইল-লোহাগড়ার প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও অসহযোগীতার কারনে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন সাকিবের অভিভাবক সাদিকুর রহমান। তিনি যশোর সদরের বেসরকারী এনজিও সংস্থা “গ্রামীন কল্যাণ মোবাইল হেল্থ প্রকল্পের” সাথে যোগাযোগ করে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেন। ভাড়াকৃত এ্যাম্বুলেন্স লোহাগড়ায় পৌছলে বেলা ১২ টার দিকে সাকিবকে নিয়ে পরিবার রওয়ানা হন ঢাকার উদ্দেশে। কালনা ফেরিঘাটে পৌছলে ফেরি ইজারাদার আঞ্জু চেয়ারম্যানের ভাই রঞ্জু সাকিবকে বহনকারী এ্যাম্বুলেন্সটি দ্রুত পারাপারের ব্যবস্থা করেন। সাকিবের পিতা ঢাকায় একটা বেসরকারী কোম্পানীতে চাকুরী করেন। দু’ভাই বোনের মধ্যে সাকিব বড়। তার বাড়ি লোহাগড়া পৌর এলাকার গোপীনাথপুর গ্রামে। সাকিবের পিতা সাদিকুর রহমান বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার সময় ফেরি পারাপারের সময় এ তথ্য জানান গনমাধ্যমকর্মীদের।
লোহাগড়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোহাইমিন জিসান বলেন, লোহাগড়া হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স চালক প্রশাসনিক কাজে নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেষনে রয়েছে। প্রেষন শেষ,অথবা নতুন চালক পেতে কিছুটা সময় লাগবে। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিবেন বিভাগীয় পরিচালক। তিনি হজ্বে রয়েছেন।
নড়াইলের সিভিল সার্জন (সিএস) আসাদুজ্জামান মুন্সি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ্যাম্বুলেন্স চালক না থাকা প্রসঙ্গে বলেন, চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে সদর হাসপাতালে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত চালক না থাকায় সহসায় চালক দেওয়া সম্ভব নয়।

basic-bank

Be the first to comment on "“মাশরাফি ফাউন্ডেশন এ্যাম্বুলেন্স চালকের অপারোগতা”সরকারী এ্যাম্বুলেন্স চালক শুন্যতা,লোহাগড়ায় ডেঙ্গু রোগী নিয়ে বিপাকে অভিভাবক"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*