নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ চক্রান্তে জড়িত ‘আরও অন্তত তিনজনের নাম’ শফিক রেহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। আজ রোববার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ওই নামগুলোর যাছাই-বাছাই করে দেখছে। ওই তিনজনের সম্পৃক্ততা থাকলে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই তিনজনের নাম প্রকাশ করবেন না তাঁরা।
তবে তারা তিনজনই বাংলাদেশি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে। তাদের কেউ প্রবাসে, কেউ বাংলাদেশে থাকে।’ সজীব ওয়াজেদ সম্পর্কিত ‘ফাইল’ পেতে এক এফবিআই এজেন্টকে ঘুষ দেওয়ায় প্রবাসী এক জাসাস নেতার ছেলের কারাদণ্ডের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার শফিক রেহমানের দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড চলছে। প্রথম দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডের মধ্যেই শফিক রেহমানকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসা থেকে ‘এফবিআইয়ের সেই গোপন নথি’ উদ্ধারের দাবি করে পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল বলছেন, জিজ্ঞাসাবাদে শফিক রেহমান ‘এফবিআই এজেন্টকে দেওয়া অর্থের উৎস সম্পর্কে’ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। “প্রথমে জানতাম অল্প অর্থ দেওয়া হয়েছে। শফিক রেহমান জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, জয় সম্পর্কিত তথ্য পেতে ৩০ হাজার ডলার দেওয়া হয়েছে। কিছু অর্থ তিনি নিজের নামে দিয়েছেন। আর বাকি ডলার কোথা থেকে এসেছে তাও বলেছেন।’ শফিক রেহমানের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে বলে জানান মনিরুল।
প্রথম দফা রিমান্ড শেষে তাকে আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনার কারণ জানতে চাইলে মনিরুল বলেন, “তার কাছ থেকে যেসব ডকুমেন্ট পাওয়া গেছে সেগুলো সম্পর্কে আরও জানতে এবং অসম্পূর্ণ জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করতে ফের রিমান্ডে আনা হয়েছে।
১৬ এপ্রিল ডিবি পুলিশ শফিক রেহমানকে আটক করে। পরে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পল্টন থানার পুলিশ। ওই মামলা তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষ হয়। এরপর গত শুক্রবার শফিক রেহমান দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

Be the first to comment on "জয়কে অপহরণ-হত্যা ষড়যন্ত্রে আরও তিনজন"