নিউজ ডেস্ক: নেশাজাতীয় ইনজেকশন ও ট্যাবলেট রাখার অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া মাদকদ্রব্য রাখার কাজে সহযোগিতা করায় অপর দুই আসামিকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ আলী ও শাহীন। ৫ বছর দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হেদায়েতুল ইসলাম ও কাইয়ুম মোল্লা।
আসামিদের প্রত্যেককে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে শাহিন পলাতক আছেন। বাকি আসামিদের সাজার পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহ্স্পতিবার ঢাকার পরিবেশ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় প্রদান করেন।
এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৯ অক্টোবর সূত্রাপুর থানাধীন জাস্টিস লালমোহন দাস লেনের আসামিদের বসতবাড়ি থেকে অপিয়াম উদ্ভূত ৪ হাজার পিস নেশাজাতীয় বুপ্রিনরফিন ইনজেকশন ও ১ হাজার ৬শ’ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক ওসমান কবির সূত্রাপুর থানার একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ঘটনা তদন্ত করে সংস্থাটির অপর পরিদর্শক নজরুল ইসলাম ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

Be the first to comment on "মাদক মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন"