নিজস্ব প্রতিবেদক: দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার আরাফাত মুন্নার জন্মদিন আজ। ১৯৯১ সালের এই দিনে মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার বলই গ্রামে নানা বাড়িতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস একই উপজেলার আউটশাহী গ্রামে। বাবা আসলাম ঢালী ও মা ফরিদা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি প্রথম।
২০০৭ সালে বলই ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল এবং ২০০৯ সালে বিক্রমপুর টংগিবাড়ী (বিটি) কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন মুন্না। পরে পারিবারিক কারণে এক বছর পড়া লেখা বন্ধ থাকে তার। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মুন্সীগঞ্জ সরকারি হরেগঙ্গা কলেজ থেকে বিএসএস (পাস) ডিগ্রী অর্জন করেন ২০১৩ সালে (রেজাল্ট হয় ২০১৫ সালে)। বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাজধানীর তেজগাঁও কলেজে মাস্টার্স কোর্সে অধ্যায়নরত।
এইচএসসিতে পড়া অবস্থায়ই ২০০৮ সালে স্থানীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা খোলা কাগজে প্রতিবেদক হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর কাজের ধারাবাহিকতায় মুন্সীগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক মুন্সীগঞ্জের কাগজ এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনতায় টংগিবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি, ২০১১ সালের মার্চ মাসে দৈনিক জনতায় নিজস্ব প্রতিবেদক ও ২০১২ সালের ১ জুন দৈনিক জনকণ্ঠের সুপ্রীম কোর্ট প্রতিবেদক হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে একই পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন।
বর্তমানে তিনি আইন বিচার ও মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের দফতর সম্পাদক। এর আগে একই সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকেরও দায়িত্ব পালন করেছেন মুন্না।
আরাফাত মুন্না ২০১৪ সালের ১৮ এপ্রিল শামীমা নাসরিনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
তিনি জানান, তার পছন্দের রং সাদা ও কালো। প্রিয় ফুল গোলাপ ও রজনীগন্ধা। খেতে ভালবাসেন ভুনা খিচুরি ও গরুর মাংস। আর অবসরে বেশির ভাগ সময়ই ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি ও মুভি দেখে সময় কাটান এই সাংবাদিক।
জন্মদিনের বিশেষ আয়োজন সম্পর্কে আরাফাত মুন্না নিউজ এ্যালাইনকে বলেন, ‘কখনোই জন্মদিনে বিশেষ আয়োজন ছিলো না। তাই এবারও তেমন কোনো আয়োজন নেই।’

Be the first to comment on "শুভ জন্মদিন আরাফাত মুন্না"