শিরোনাম

৭৫ শতাংশ তামাক পণ্য মোড়কে ছবিসহ সতর্কবানী নেই 

ফাইন ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : আইন হলেও বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে তামাক কাম্পানীগুলো। এখনো ৭৫ শতাংশ তামাক পণ্য মোড়কে ছবিসহ স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নেই, বিড়ির ক্ষেত্রে এই হার শূন্য। তামাক পণ্য মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন বিষয়ক কমপ্লায়েন্স সাভের্র ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে তামাক বিরোধী সংগঠনসমূহের পক্ষে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, এসিডি, ইপসা, সীমান্তিক, উবিনীগ, ইসি বাংলাদেশ, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট, নাটাব, বিসিসিপি, প্রত্যাশা, এইড ফাউন্ডেশন ও প্রজ্ঞা “তামাকপণ্যে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন বিষয়ক কমপ্লায়েন্স সার্ভে ফলাফল প্রকাশ” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করেন প্রজ্ঞার কো-অর্ডিনেটর হাসান শাহরিয়ার, অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ব্রিগেডিয়ার (অব:) আব্দুল মালিক, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস এর বাংলাদেশ কান্ট্রি এডভাইজার শফিকুল ইসলাম, দি ইউনিয়ন এর টেকনিক্যাল এডভাইজার এডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিড্স (সিটিএফকে) এর গ্রান্টস ম্যানেজার ডা. মাহফুজুল হক ভুঁইঞা প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, গত ১৯ মার্চ ২০১৬ থেকে সকল তামাকপণ্যে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ বাধ্যতামূলক হলেও গবেষণা ফলাফলে দেখা গেছে মোট ৭৪ দশমিক ৮  শতাংশ  তামাক পণ্যের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নেই। মাত্র ২৫ দশমিক ২ শতাংশ তামাকপণ্যের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর উপস্থিতি চোখে পড়েছে। গবেষণায় প্রাপ্ত ১৪ ব্রান্ডের ৮৮টি বিড়ির প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সর্তকবাণীর উপস্থিতি শূন্য শতাংশ। গবেষণায় ৩৫টি ব্রান্ডের ৭০০টি সিগারেট প্যাকেটের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্যাকেটেই সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী পাওয়া যায়নি। ৬টি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪টিই সচিত্র সতর্কবাণী ছাড়া সিগারেট বাজারজাত করছে। ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের ক্ষেত্রেও এই প্রতিপালনের হার খুবই উদ্বেগজনক। জর্দায় ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং গুলের ক্ষেত্রে ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ কৌটাতেই সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী  পাওয়া যায়নি। গবেষণায় প্রাপ্ত ১০০টি জর্দা কারখানার মধ্যে মাত্র ১৪টি সচিত্র সতর্কবাণীসহ জর্দা বাজারজাত করছে। একইভাবে ১৩টি গুল কারখানার মধ্যে মাত্র ১টি কারখানা সচিত্র সতর্কবাণীসহ গুল বাজারজাত করছে। অন্যদিকে যেসব তামাকপণ্য সচিত্র সতর্কবাণীসহ পাওয়া গেছে সেগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য অংশের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিধান অনুসরণ করা হয় নাই। গবেষণায় ৮টি বিভাগীয় শহরের মোট ১২০টি দোকানে তিন ধরনের তামাক বিক্রেতার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয় যথা: (ক) প্রধানত সিগারেট বিক্রেতা; (খ) প্রধানত বিড়ি এবং স্বল্পমূল্যের সিগারেট বিক্রেতা; (গ) প্রধানত ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য বিক্রেতা। গবষণায় বলা হয়, সার্বিকভাবে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়নের চিত্র হতাশাজনক।

basic-bank

Be the first to comment on "৭৫ শতাংশ তামাক পণ্য মোড়কে ছবিসহ সতর্কবানী নেই "

Leave a comment

Your email address will not be published.


*