শিরোনাম

আস্তে দাও ,নাইলে আমি …

নিউজ ডেস্ক: ছোঁক ছোঁক কর কেন? এসো বসো এখেনে…যৌবনে তাকে ডিশিসন নিতে হয়েছে সে কোন মার্গে যাবে। ক্যাশ না কাইন্ড? নারী না সুরা? ঠিক করতে করতে যৌবন শেষ হয়ে যায়, যৌবনবেদনা যায় না।বাঙালি আর বোলতার মধ্যে একটা মৌলিক মিল ছেলেবেলা থেকে ভেবে এসেছি। বোলতা-সুলভ হুলবাজি বাঙালি ক্যারি করতে পারে না বটে, কিন্তু বোলতা-প্যাটার্নের ছোঁকছোঁকানি বাঙালির জিনগত বৈশিষ্ট্য। কার্যত, বাল্যকাল থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত বাঙলি একটা কাজই নিষ্ঠার সঙ্গে করে থাকে, সেটা বিশুদ্ধ ছোঁক ছোঁক।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এর নেচার ও টার্গেট বদলায় ঠিকই, বেসিক জায়গাটা একই রকম থেকে যায়। সেদিক থেকে দেখলে হুলো বেড়াল-কাটিং একটা ব্যাপার এর মধ্যে খুঁজে পেতেই পারেন, তবে সেটা আংশিক। হুলোর গ্ল্যামার বাঙালির কোনও দিনই ছিল না। গজাবে বলেও মনে হয়ে না।

ছোঁক ছোঁকের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যেতে পারে, মঙ্গলকাব্যের কাল থেকেই মনে হয় এই বৃত্তির শুরু। তার পরে ক্রমাগত সমৃদ্ধ হয়েছে ছোঁক ছোঁক। বাল্যে খাদ্য ও উঞ্ছচিন্তা, কৈশোরে নিষিদ্ধ বিষয়, গোটা যৌবন ব্যেপি নারী-সুরা-ধান্দাবাজি, বার্ধক্যে কী নয় নিয়ে ছোঁক ছোঁকের বিরাট ভুবন। ছোঁক ছোঁক কখনও ঘরে, কখনও বাইরে, কখনও ঘর ও বাহিরের মধ্যবর্তী অনির্দেশ্য জায়গায় কিটকিট করে বয়েই চলেছে।

basic-bank

Be the first to comment on "আস্তে দাও ,নাইলে আমি …"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*