নিউজ ডেস্ক : ক্রিকেটের হাল আমলের সংযোজন হলো ‘ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম’ বা ‘ডিআরএস’ পদ্ধতি। আম্পায়ারের কোনো সিদ্ধান্ত সঠিক মনে না হলে ক্রিকেটাররা তৃতীয় আম্পায়ারের দারস্থ হতে পারেন। এই ডিআরএস পদ্ধতিকে যেন শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। দেখা গেছে, ধোনির নেওয়া রিভিউ ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে সঠিক হয়েছে। তাই ‘ডিআরএস’ এর পূর্ণাঙ্গ রুপ হিসেবে ‘ধোনি রিভিউ সিস্টেম’ এখন সোশ্যাল সাইটের হট টপিক!
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে কিছুক্ষণের জন্য হয়তো ধোনি ভুলে গিয়েছিলেন যে তিনি অধিনায়ক নন। তাই বিরাট কোহলির আগেই ইংলিশ অধিনায়ক এউইন মরগ্যানের বিরুদ্ধে আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্তের বিষয়ে রিভিউ চান ধোনি। হার্দিক পান্ডিয়ার বলটি মরগ্যানের ব্যাট ছুঁয়ে ধোনির গ্লাভসে গিয়েছিল। কিন্তু আম্পায়ার আউট দেননি। কোহলির অপেক্ষা না করে সাথে সাথে রিভিউয়ের সংকেত দেন ধোনি। এবং সফল হন। কোহলির মুখে তখন মুগ্ধতার হাসি।
ভারতের সিরিজ নিশ্চিত করা দ্বিতীয় ওয়ানডেও আবারও ধোনির রিভিউ। এবার যুবরাজ সিংয়ের জন্য। যুবরাজ তখন ১৪৭ রানে ব্যাট করছেন। ক্রিকস ওকসের বল যুবরাজের ব্যাটের কানায় লেগে কিপার বাটলারের গ্লাভসে গিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল। আম্পায়ার আঙুল তুলেছেন। যুবরাজ হাঁটা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু কালবিলম্ব না করে রিভিউ চেয়ে বসেন ধোনি! পরে দেখা যায় বলটি ব্যাটের কানায় লেগেছিল ঠিকই, কিন্তু তারপর মাটি ছুঁয়ে বাটলারের গ্লাভসে গেছে। বেঁচে যান যুবরাজ। ড্রেসিংরুমে বসে কোহলির আনন্দ আর দেখে কে! তার অঙ্গভঙ্গি দেখে বোঝা যায়, যেন তিনি বলছিলেন রিভিউয়ের জন্য ধোনিই বেস্ট! সাধে কি আর ধোনিকে ‘ক্যাপ্টেন কুল’ বলা হতো?

Be the first to comment on "‘ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম’ নাকি ‘ধোনি রিভিউ সিস্টেম’?"