শিরোনাম

লজ্জা থেকে বাঁচতে অস্ট্রেলিয়ার লড়াই

নিউজ ডেস্ক : প্রথম ইনিংসে ৮৫ রানে অলআউট হওয়ার লজ্জায় ডুবেছিল ক্রিকেট বিশ্বের শাসনকর্তা অস্ট্রেলিয়া। গত ৩২ বছরে ঘরের মাঠে এত বড় লজ্জা কখনো পায়নি দলটি। কেউ কেউ যখন পিচের উপর দোষ চাপাচ্ছিলেন তখন তা ভুল প্রমাণ করে ২৪১ রানে এগিয়ে থেকে ইনিংস শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় দিন শেষে সেই লক্ষ্যের দিকে অনেকটাই এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসটিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন কুইন্টন ডি’ক এবং টেমবা বাভুমা। ১৩৯ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডি’কক। হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৭টি চার হাঁকিয়ে ১০৪ রান সংগ্রহ করেন কিংবদন্তি গিলক্রিস্টের ‘কপি’ হিসেবে খ্যাত ডি’কক। অন্যদিকে বাভুমাও কম যাননি। সেঞ্চুরি না পেলেও ২০৪ বলে অসীম ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে খেলেন ৭৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। এই ‘বিশুদ্ধ টেস্ট’ ইনিংস খেলতে গিয়ে মাত্র ৮টি চার এসেছে বাভুমার ব্যাট থেকে।

প্রোটিয়াদের অলআউট করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন হ্যজলউড। ৩০.৫ ওভার বল করে মাত্র ৮৯ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ৬ উইকেট! মিচেল স্টার্ক নেন ৩টি এবং জো মেনিনি নেন ১টি উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই জো বার্নার্সের উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। তাকে কাইলি ডি’ককের ক্যাচে পরিণত করেন কাইলি অ্যাবোট। আবারও কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার শংকা তৈরি হয়। তবে ডেভিড ওয়ার্নার এবং উসমান খাজা মিলে ৭৯ রানের জুটি গড়েন। এসময় আবারও অ্যাবোটের আঘাত। এবারের শিকার ডেভিড ওয়ার্নার। ১০৩ বলে ৫৬ রান করে তিনি অ্যাবোটের বলে বোল্ড হয়ে যান।
এরপর অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ ক্রিজে এসে আর কোনো বিপদ ছাড়াই দিন শেষ করেন। তৃতীয় দিন শেষে অজিদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১২১ রানে। প্রোটিয়াদের আবার ব্যাটিংয়ে নামাতে আরও কমপক্ষে ১২০ রান করতে হবে অজিদের। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন বৃষ্টিতে ধুয়ে যায়। আবারও পরাজয়ের লজ্জা এড়াতে হলে অজিদের মাঠে পারফর্মেন্স করতে হবে অথবা প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

basic-bank

Be the first to comment on "লজ্জা থেকে বাঁচতে অস্ট্রেলিয়ার লড়াই"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*