নিউজ ডেস্ক : একটি বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে ১২ দিনে ১১ লাখ টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়েছেন চার নাইজেরিয়ান। তারা সবাই প্রতারক চক্রের সদস্য। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অবস্থিত বিএসইসি ভবনের দশম তলায় র্যাবের গণমাধ্যম শাখায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ। তিনি বলেন, আগে ফেসবুকে প্রতারণাসহ বিভিন্ন প্রতারণার কাজে বাংলাদেশি নাগরিক জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলেও এ ধরনের প্রতারণার কাজে এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশির জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গত ১২ অক্টোবর কেলচি প্রিন্স জোহান ও নিকেম স্যামুয়েল আজুইকি বাংলাদেশে আসেন। তারা উত্তরার ছয় নম্বর সেক্টরের, ১০ নম্বর সড়কের, ৪৭ নম্বর বাড়ির লন্ডন গেস্ট হাউজ হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষে ওঠেন।
লে. কর্নেল বলেন, তারা বিভিন্ন কোম্পানির সিম ব্যবহার করে গ্রাহকদের লাটারিতে আকর্ষণীয় পুরস্কার পেয়েছেন, এমন এসএমএস পাঠাতে থাকেন। পুরস্কার পেতে হলে কিভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে মেসেজে তা বলা থাকতো। যখনই কোনো বাংলাদেশি গ্রাহক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন তখন ওই গ্রাহককে মেসেজের মাধ্যমে বলা হতো, আপনার পুরস্কার অথবা পার্সেলটি শাহজালাল বিমানবন্দরে চলে এসেছে। কাস্টমস থেকে ছাড়িয়ে আনতে নির্দিষ্ট বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে হবে।
এর আগে রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে চার প্রতারক কেলচি প্রিন্স জোহান, নিকেম স্যামুয়েল আজুইকি, ডেনিস ওসিউডিরি চিফ ও ইব্রাহিমকে আটক করা হয়। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে ১২টি মোবাইল, ২২টি বিদেশি সিম কার্ড, চারটি ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, দুটি ল্যাপটপ, চারটি মডেম, বাংলাদেশি ৭০ হাজার ৮৫০ টাকা ও ১২০ মার্কিন ডলার উদ্ধার করা হয়।

Be the first to comment on "ফাঁদ পেতে ১১ লাখ টাকা প্রতারণা"