নিউজ ডেস্ক : গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি ও রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় অর্থের জোগানদাতাদের চিহ্নিত করা গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এমন তথ্য দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নে মনিরুল ওই দাবি করেন। প্রশ্নের জবাবে মনিরুল বলেন, হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার অর্থের জোগানদাতাদের চিহ্নিত করা গেছে।
তিনি জানান, গুলশানের হলি আর্টিজেন রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলায় অর্থ যোগান দিয়েছেন সপরিবারে সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া চিকিৎসক ডা. রোকনউদ্দিন, রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ ও পুরান ঢাকার লালবাগে পুলিশী অভিযানে নিহত তানভীর কাদেরী।
তিনি বলেন, খিলগাঁওয়ের চৌধুরীপাড়ার ডা. রোকনউদ্দিন প্রায় ৮০ লাখ টাকা দিয়েছেন, রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ তার পেনশনের টাকা দান করেছেন এবং পুরান ঢাকার লালবাগে পুলিশী অভিযানে নিহত তানভীর কাদেরী তার উত্তরার ফ্ল্যাট বিক্রি করেও গুলশান হামলায় অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। আরও অর্থদাতা থাকতে পারেন। তাঁদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। গুলশান হামলায় অর্থদাতাদের সন্ধানে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে এ সব তথ্য উঠে এসেছে বলেও জানান মনিরুল ইসলাম।
গত ১ জুলাই রাতে জঙ্গিরা হলি আর্টিজানে হামলা চালিয়ে ২০ জন দেশি-বিদেশি নাগরিককে হত্যা করে। তাৎক্ষণিক অভিযান চালাতে গিয়ে নিহত হন পুলিশের দুজন কর্মকর্তা। পরদিন সকালে সেনা কমান্ডোদের জিম্মি উদ্ধার অভিযানে পাঁচ জঙ্গি এবং ওই রেস্তোরাঁর এক কর্মচারী নিহত হন।
উল্লেখ্য, রাজধানীর খিলগাঁওয়ের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ডা. রোকনউদ্দিন তার পরিবারসহ গত ১৮ জুলাই থেকে নিখোঁজ। তিনি বর্তমানে সিরিয়ায় অবস্থান করছেন বলে পুলিশের ধারণা।

Be the first to comment on "রোকনউদ্দিন, জাহিদুল ও তানভীর গুলশান হামলায় অর্থ যোগানদাতা"