নিউজ ডেস্ক : পেরুর দক্ষিণাঞ্চলে একটি নদীতে প্রায় ১০ হাজার ব্যাঙ মরে ভেসে ওঠার ঘটনা তদন্ত করছে দেশটির পরিবেশ সংস্থা। বিবিসি বলছে, একটি পরিবেশবাদী আন্দোলনকারী গোষ্ঠী এ ঘটনার জন্য কোয়াটা নদীর দূষণকে দায়ী করেছে। গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, ওই অঞ্চলে নর্দমার পানি শোধণের জন্য প্ল্যান্ট স্থাপনের আবেদন উপেক্ষা করেছে সরকার। টিটিকাকা নামের পানিতে বসবাসকারী এই ব্যাঙের প্রজাতিটি হুমকির মুখে রয়েছে। এই প্রজাতির ব্যাঙগুলোকে শুধু পেরু ও বলিভিয়ার দূষণহীন পানির লেকগুলো এবং শাখানদীতে পাওয়া যায়।
কোয়াটা নদীতে দূষণরোধে গঠিত কমিটি জানিয়েছে, পেরুর সরকার গুরুতর দূষণ সমস্যার সুরাহা করতে ব্যর্থ হয়েছে। পরিবেশবাদী আন্দোলনকারীরা ১০০টি মৃত ব্যাঙ আঞ্চলিক রাজধানী পুনোর সেন্ট্রাল স্কয়ারে নিয়ে যায়। আন্দোলনকারীদের নেতা মারুজা ইনকুইলা বলেন, আমরা মৃত ব্যাঙগুলো নিয়ে এসেছি। আমরা কীভাবে বেঁচে আছি কর্তৃপক্ষ তা বুঝতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, সমস্যাটি কত গুরুতর এই ব্যাপারে তাদের কোনো ধারণাই নেই। পরিস্থিতি খুবই ভয়ানক। পেরুর জাতীয় বন ও বন্যপ্রাণী সেবা (সেফোর) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এ ব্যাপারে (ব্যাঙের মৃত্যু) তদন্ত শুরু করছে। এক বিবৃতিতে সেফোর জানিয়েছে, ওই ঘটনার পর স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে এবং ব্যাঙের নমুনা সংগ্রহ করার পর ধারণা করা হচ্ছে ৩০ মাইলজুড়ে (নদী) ১০ হাজারেরও বেশি ব্যাঙ আক্রান্ত হয়েছে (মারা গেছে)।

Be the first to comment on "পেরুর ১০ হাজার ব্যাঙের মৃত্যুতে তদন্ত শুরু"