শিরোনাম

উত্তপ্ত বিতর্ক, কাঠগড়ায় জাকারবার্গ!

নিউজ ডেস্ক : ফেসবুকের অকুলাস বিভাগে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) প্রযুক্তি চুরি করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস ফেডারেল আদালতে হাজির হন সামাজিক মাধ্যমটির প্রধান মার্ক জাকারবার্গ। সেখানে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় ফেসবুক প্রধানকে। অকুলাস কীভাবে ভিআর নিয়ে ধারণা পেল আর ফেসবুক যখন অকুলাস-কে দুইশ’ কোটি ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয় তখন তিনি কীভাবে এর খোঁজ পান- এমন নানা বিষয় জানতে চাওয়া হয়। এ সময় আইনজীবীর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় জাকারবার্গের। খবর রয়টার্সের।

২০১৪ সালে ফেইসবুক-অকুলাস চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার মাঝামাঝি সময়ে ভিডিও গেইম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেনিম্যাক্স এই মামলা দায়ের করে। জেনিম্যাক্স-এর দাবি, অকুলাস অন্যায়ভাবে তাদের মেধা সম্পত্তি ব্যবহার করে রিফট হেডসেটসহ অন্যান্য ভিআর সিস্টেম বানিয়েছে। আদালতে জেনিম্যাক্স আইনজীবী টনি সাম্মির সঙ্গে উত্তপ্ত বিতর্কের এক পর্যায়ে জাকারবার্গ বলেন, ফেইসবুক যখন অকুলাস-কে কেনে তখন এই প্রযুক্তি পুরোপুরি বানানো হয়নি। জবাবে সাম্মি বলেন, “কোনো প্রযুক্তি উন্নত করলেই তা আপনার নিজের হয়ে যায় না। যদি আপনি আমার বাইক চুরি করেন, তারপর এটি রং করে এতে একটি ঘণ্টা লাগিয়ে দেন, তাহলে কি এটি আপনার বাইক হয়ে যাবে?” জাকারবার্গ এই প্রশ্নের জবাবে বলেন, “না। অকুলাস প্রযুক্তি অন্য কারো প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে বানানো হয়েছে- এই ধারণা ভুল। এছাড়া অকুলাস-কে কেনার আগে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারও কোনো চুরির অভিযোগ আছে এমন বিষয় জানা ছিল না জাকারবার্গের। তিনি বলেন, “আমরা যা করি তাতে কারও কোনো শেয়ার করা কোড নেই। আর এটি খুবই সাধারণ যখন আপনি কোনো বড় চুক্তির ঘোষণা দেবেন আর মানুষ হঠাৎ বের হয়ে আসবে আর দাবি করবে এই চুক্তিতে তাদের কিছু অংশ রয়েছে।

ছাত্রজীবন থেকেই ভিআর নিয়ে আগ্রহী থাকলেও, অকুলাস কেনার আগে জাকারবার্গ ভাবতেন এমনটা হতে আরও কয়েক দশক লেগে যাবে। নিজের কন্যার প্রথম হাঁটা ধারণ করতে ভিআর ব্যবহার করেন, দাদা-দাদীরা পরে এটি দেখতে পারেন- সেই অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি।

বিবিসি জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষে অকুলাস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পালমার লাকি-কে এই মামলায় আদালতে ডাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

basic-bank

Be the first to comment on "উত্তপ্ত বিতর্ক, কাঠগড়ায় জাকারবার্গ!"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*