নিউজ ডেস্ক : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ভারতের মতো চীনের সঙ্গেও বাংলাদেশের বাণিজ্যঘাটতি রয়েছে। কিন্তু ভারতেরটা নিয়ে যত আলোচনা হয়, চীনেরটা নিয়ে তত আলোচনা হয় না। যদিও এই দুই দেশ থেকে বেশি আমদানি করে বাংলাদেশই লাভবান হচ্ছে।
আজ রবিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব : প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী ।
বৈঠকে তিনি আরও বলেন, চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চীনে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫ শতাংশ। যেখানে দেশের মোট রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ শতাংশ। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসছেন, সে সময় বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক সই হবে। ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ইতিমধ্যে ২০টির কাজ শুরু হয়েছে। যার মধ্যে একটি চীনকে দেওয়া হবে।
আলোচনা আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, বিএফইউজে সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

Be the first to comment on "চীনকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়া হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী"