নিউজ ডেস্ক : বাহুবলীর প্রযোজকের অফিসে ও বাড়িতে হানা দিল আয়কর দপ্তর। গতকাল ছবির প্রযোজক শোবু ইয়ারলাগাড়া ও প্রসাদ দেবীনেনীর বাড়ি সহ অর্ক মিডিয়ার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, বাহুবলী প্রযোজকদের অফিস ও বাড়ি নিয়ে মোট ৩০টি লোকেশনে তল্লাশি চালানো হবে।
গতবছর বিশ্বের বাজার থেরে ৬৫০ কোটি টাকা ঘরে তুলেছে বাহুবলী। তার মধ্যে ৬০ কোটি টাকার নাকি কোনও হিসেব নেই। এর তথ্য নাকি অফিসাররা ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট “বাধ্যতামূলক গ্রহণযোগ্য নয়” (No more a legal tender) ঘোষণা করার পর কালোটাকা বিভিন্নভাবে ইনভেস্ট করার চেষ্টা করছে অনেকেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তেলেগু প্রযোজকের মতো, তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সবসময়ই আয়কর বিভাগের নজরে থাকে। কিন্তু আয়কর দপ্তর যে এমন ঘটনা ঘটাবে, তা কেউ ভাবেনি। আয়কর দপ্তরের এক কর্মীর মতে, তল্লাশি কখন শেষ হবে, তা বলা মুশকিল। শোনা গেছে, বাহুবলীর পরিচালক রাজামৌলির বাড়িতেও তল্লাশি চালাবে আয়কর দপ্তরের কর্মীরা।
অনেকে আবার এও বলছে, তাঁদের বাড়িতে নাকি রুটিন মাফিক তল্লাশি করা হয়েছে। এর পিছনে অন্য কোনও কারণ নেই। আয়কর দপ্তর যেমন সময় মতো তল্লাশি করে, এটাও তেমনই। সম্প্রতি যে কারণে ৫০০ ও ১০০ টাকার নোট ব্যান করা হয়েছে, তার সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।
বাহুবলী: দা বিগিনিং রিলিজ় করার পর ছবির প্রযোজকরা প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছিল। ১২০ কোটি টাকায় তৈরি হয়েছিল ছবিটি। গত বছর ১০ জুলাই রিলিজ় করে বাহুবলী। তামিল, তেলেগু, মালায়ালাম ও হিন্দি ভাষায় মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। ২০১৫-র সেরা ফিচার ফিল্ম হিসেবে জাতীয় পুরস্কার জিতেছে বাহুবলী: দা বিগিনিং।

Be the first to comment on "বাহুবলীর প্রযোজকদের বাড়িতে আয়কর দপ্তরের হানা"